মেনু নির্বাচন করুন

মজলিশপুর ইসলামীয় দারুল উলুম ও এতিমখানা মাদ্রাসা ।

** প্রতিষ্ঠা সন: ১৯৯১ ইং প্রতিষ্ঠাতা: এলাকার জনগণ ।

** শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ

শিক্ষক সংখ্যা   :- ১৪ জন

কর্মচারী সংখ্যা :- ১ জন

ছাত্র সংখ্যা     :- ৩০০জন (আবাসিক ২০০ জন অনাসিক ১০০ জন ) ।

 

শ্রেণী কক্ষের বিবরণ :

টিন সেট, ভিট পাকা ঘর, নিচে বসে পাঠদান করা হয় ।

ঘরের সংখ্যা ও বিবরন:

** গৃহ সংখ্যা ৫ টি ।

** প্রথম ঘর ৭৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থ ।

** দ্বিতীয় ঘর ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুট  প্রস্থ ।

** তৃতীয় ঘর ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৬ ফুট প্রস্থ।

** চতুর্থ ঘর ২৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪ ফুট প্রস্থ ।

** পঞ্চম ঘর ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থ ।

মাদ্রাসার ভৌগলিক অবস্থান:

অত্র মাদ্রাসাটি একটি মনোরম পরিবেশে স্থাপিত । মাদ্রাসার আয়তন ৮০ শতাংশ জমিতে স্থাপিত রয়েছে । অত্র মাদ্রাসার চতুর পার্শ্বে বিভিন্ন ফলের বাগ-বাগিচা ও মৎস্য চাষের জন্য ৪ টি পুকুর রয়েছে । মাদ্রাসাটি নেত্রকোণা হতে কিশোরগঞ্জ সি.এম.বি রাস্তার পাশে অবস্থিত ।

স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরন :

মাদ্রাসার স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ একর ৬০ শতাংশ ।

** তার মধ্যে ক্রয়কৃত জমি ৮৬ শতাংশ ।

** ওয়াক্‌ফকৃত জমি ২ একর ৭৮ শতাংশ ।

শরীরচর্চা, জ্ঞানচর্চা ও খেলাধূলার ব্যবস্থা:

ছাত্রদের জ্ঞানচর্চার জন্য উন্নতমানের একটি পাঠাগার রয়েছে । এতে পুস্তকের সংখ্যা ২০০০ (দুই হাজার) । ছাত্রদের খেলাধুলা ও শরীর চর্চার জন্য মাদ্রাসা সংলগ্ন খেলার মাঠ রয়েছে ।

এতিম খানার বিবরণ :

অত্র মাদ্রাসার অধীনে ৭ শতাংশ জমিতে একটি এতিমখানা স্থাপিত রয়েছে ।

স্থাপিত সন: ২০০২ ইং, প্রতিষ্ঠাতা: এলাকার জনগণ । এতিম খানাটি ২০১১ ইং অর্থ বৎসরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মঞ্জুর হয়েছে । এতিমখানার ছাত্র সংখ্যা মোট ৬০ জন । তার মধ্যে সরকারী মঞ্জুরকৃত ছাত্র সংখ্যা ৮ জন এবং ৫২ জন জনগণের সাহায্য-সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে ।

শিক্ষক সংখ্যা- ৩ জন

কর্মচারী সংখ্যা- ২ জন

রেজিষ্টার নং- ০৬০০ ।

মাদ্রাসার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:  

১।আগামী নতুন বৎসরে (২০১৩ ইং) তিন তলা ভিত্তিস্থাপন করে ৭৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৩ ফুট প্রস্থ একটি ভবন নির্মানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে । (ইন্‌শাল্লাহ) ।

২। ছাত্রদের শিক্ষার সুবিধার্থে পৃতকভাবে ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থ ১ টি ছাত্রাবাস নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে ।

৩। আগামী ৫ বছরের মধ্যে অত্র মাদ্রাসাটি আরবী শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস অর্থাৎ মার্ষ্টাস পর্যন্ত খোলার পরিকল্পনা রয়েছে । (ইন্‌শাল্লাহ)।

৪। আগামীদিনের নাগরিকদেরকে আদর্শ ইসলামী নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা এবং নিরক্ষরতা ও মূর্খতার লাঞ্চনার হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করা ।

৫। কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করে জাতিকে কর্মশীল হিসাবে গড়ে তোলা । (আমীন) ।


Share with :

Facebook Twitter